Vegetable Price: গরমে পুড়ছে বাংলা, সবজির দামে আগুন মধ্যবিত্তের পকেটে
ক্রেতারা অবশ্য গরম উপলক্ষ্যে দাম বাড়ানোর তত্বকে কুযুক্তি বলেই মনে করছেন। পাশাপাশি তারা স্বীকার করছেন, এপ্রিল মাসেই এই রকম গরম তারা আগে দেখেননি। গরমের সবজি মূলত ওঠে এপ্রিল ,আসেই। সেই মজুত সবজি মে ও জুন মাসে বাজারে আসে এবং বাঙালির পাতে পড়ে। এরপর জুলাইয়ে বর্ষা আসে। তখন ফের টাটকা জল পেয়ে নতুন সবজির ফলন হয়।
অয়ন ঘোষাল: দাবদাহের প্রভাব গরমের সবজির দামে। তাপমাত্রার পাশাপাশি সবজিতে হাত দিলেও পুড়ে যাচ্ছে হাত।
শুধু থার্মোমিটারে নয়। গরমের ছ্যাঁকা বাজারদরেও। একটানা প্রায় ১৭ দিন এক ফোঁটা বৃষ্টি নেই দক্ষিণবঙ্গে। বিশেষত সবজি উৎপাদক জেলা দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হুগলি, হাওড়া ও পূর্ব মেদিনীপুর দাবদাহে পুড়ছে। আর তার জেরেই কার্যত আগুন বাজারে।
কলকাতার বাজারে আজ সবজির গড় দামে দেখলে সেখানে দেখা গিয়েছে ঝিঙে ৮০ টাকা, করলা ৬০ টাকা, শসা ৬০ টাকা, লাউ ৬০ টাকা, পটল ৬০, ঢ্যাঁড়শ ৫০ টাকা, কাঁচালঙ্কা ৮০ থেকে ১০০ টাকা, সজনে ডাঁটা ১০০ টাকা এবং কাঁচা পেপে ৮০ টাকা।
অন্যদিকে গত বছরের পয়লা বৈশাখের আগে পরে এই দামগুলি ছিল বর্তমানের তুলনায় বেশ কিছুটা কম। সেই সময় ঝিঙের দাম ছিল ৫০ টাকা, করলা ৩০ টাকা, শসা ৪০ টাকা, লাউ ৪০ টাকা, পটল ৩০ থেকে ৩৫ টাকা, ঢ্যাঁড়শ ৩০ টাকা, কাঁচালঙ্কা ৬০ থেকে ৮০ টাকা, সজনে ডাঁটা ৬০ থেকে ৮০ টাকা এবং কাঁচা পেপে ৪০ থেকে ৫০ টাকা।
অর্থাৎ গড়ে প্রতি সবজির দাম এবার প্রায় ২০ টাকা করে বেশি।
আরও পড়ুন: Joka-Taratala Metro: বড় কাজ রাতেই নীরবে এগিয়ে গেল জোকা মেট্রোয়, এবার দ্রুত এগোবে সুরঙ্গের কাজ
ক্রেতারা অবশ্য গরম উপলক্ষ্যে দাম বাড়ানোর তত্বকে কুযুক্তি বলেই মনে করছেন। পাশাপাশি তারা স্বীকার করছেন, এপ্রিল মাসেই এই রকম গরম তারা আগে দেখেননি।
আরও পড়ুন: Governor CV Ananda Bose: রাজভবনে শিক্ষাবিদদের সঙ্গে বৈঠক রাজ্যপালের
গরমের সবজি মূলত ওঠে এপ্রিল ,আসেই। সেই মজুত সবজি মে ও জুন মাসে বাজারে আসে এবং বাঙালির পাতে পড়ে। এরপর জুলাইয়ে বর্ষা আসে। তখন ফের টাটকা জল পেয়ে নতুন সবজির ফলন হয়। এবার অকাল তাপপ্রবাহে গোড়া থেকেই সবজির অগ্নিমুল্য গোটা বৈশাখ জৈষ্ঠ নিয়ে দুশ্চিন্তায় ফেলে দিয়েছে মধ্যবিত্তকে।