বচন বিভ্রাটে সোনালি ফ্রন্ট রানার
ক্ষমতায় থাকুন বা না থাকুন। আক্রমণের ঝাঁঝে সোনালি গুহ বরাবরই ফ্রন্ট রানার। একবার ফিরে দেখা যাক সেই সোনালি অতীত।
কলকাতা: ক্ষমতায় থাকুন বা না থাকুন। আক্রমণের ঝাঁঝে সোনালি গুহ বরাবরই ফ্রন্ট রানার। একবার ফিরে দেখা যাক সেই সোনালি অতীত।
সোনালি গুহ বরাবরই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ। জ্যোতি বসুর বিধানসভা কেন্দ্র সাতগাছিয়ায় তো তাঁকেই টিকিট দিয়েছিলেন মমতা। দলনেত্রীর মান রেখেছিলেন সোনালি। ছিনিয়ে নিয়েছিলেন বামেদের শক্ত ঘাঁটি। ন্যানো কারখানার প্রতিবাদে ধর্মতলার অনশন মঞ্চে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে ছিলেন সোনালি। যেমন ছিলেন সিঙ্গুরে দুর্গাপুর এক্সপ্রেসওয়ের ধারে তৃণমূল নেত্রীর ধর্নামঞ্চে। বিরোধী দলের নেত্রী হিসাবে সোনালি গুহকে বরাবরই দেখা গেছে মারমুখী ভূমিকায়। বছরকয়েক আগে শিলিগুড়ির দীনবন্ধু মঞ্চে বিধানসভার আসন পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত শুনানি তিনি ভেস্তে দিয়েছিলেন একার দক্ষতায়। তবে, নোদাখালি থানায় ঢুকে পুলিস অফিসারকে যে ভাষায় ধমকেছিলেন সোনালি, তার জুড়ি মেলা ভার।
সে দিনের বিরোধী নেত্রী সোনালি গুহ এখন শাসকদলের জনপ্রতিনিধিই শুধু নন, তিনি বিধানসভার ডেপুটি স্পিকার।ইদানিং অবশ্য তাঁকে যেখানে সেখানে চড়াও হতে বা কুকথার তোড়ে প্রতিপক্ষকে ভাসিয়ে দিতে তেমন একটা দেখা যেত না। কারণটা নিজের মুখেই জানিয়েছেন তিনি।
কিন্তু, স্বভাব কি আর যায়! সালকিয়ায় দুই প্রতিবেশীর ঝগড়ায় একপক্ষের হয়ে মাঠে নেমে অন্যপক্ষকে শাসানি দিয়ে এলেন সোনালি। গুণ্ডামির তোড়ে বুঝিয়ে দিলেন ঢেঁকি যে খানেই যাক না কেন ধান ভানা ছাড়া তার গতি নেই!