গণনার ক্ষেত্রে কারচুপির আশঙ্কা বামেদের
ভোটের পর এবার গণনার ক্ষেত্রেও কারচুপির আশঙ্কা করছে বামেরা। তাদের অভিযোগ, উলুবেড়িয়ার গণনা কেন্দ্রে বসার বৈধ পরিচয়পত্র ঘুরছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। তাতে মাইক্রো অভজারভারের কোনও ছবি ও সই না থাকলেও, রয়েছে জেলাশাসক ও জেলার নির্বাচনী আধিকারিকের সই। তবে বামেদের এই অভিযোগ মানতে নারাজ প্রশাসন।মাইক্রোঅবজারভারের পরিচয়পত্র নিয়ে ঘুরছেন সাধারণ মানুষ।
ভোটের পর এবার গণনার ক্ষেত্রেও কারচুপির আশঙ্কা করছে বামেরা। তাদের অভিযোগ, উলুবেড়িয়ার গণনা কেন্দ্রে বসার বৈধ পরিচয়পত্র ঘুরছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। তাতে মাইক্রো অভজারভারের কোনও ছবি ও সই না থাকলেও, রয়েছে জেলাশাসক ও জেলার নির্বাচনী আধিকারিকের সই। তবে বামেদের এই অভিযোগ মানতে নারাজ প্রশাসন।মাইক্রোঅবজারভারের পরিচয়পত্র নিয়ে ঘুরছেন সাধারণ মানুষ।
উলুবেড়িয়ার লোকসভা কেন্দ্রের সাতটি বিধানসভা কেন্দ্রের গণনা হবে সিআইপিটি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে। গণনাকেন্দ্রে বসার জন্য প্রয়োজন হয় একটি পরিচয়পত্রের। সেই পরিচয়পত্রে লেখা থাকে সুপারভাইজার। তাতে জেলাশাসক ও জেলার নির্বাচনী আধিকারিকের সই থাকে। যিনি মাইক্রো অবজারভার হবেন তাঁর ছবি ও সই থাকে ওই কার্ডে। কিন্তু নাম, ছবি, সইহীন ওই কার্ডগুলি এখন ঘুরে বেরাচ্ছে উলুবেড়িয়ার সাধারণ মানুষের হাতে। তাতে অবশ্য সই রয়েছে জেলাশাসক ও জেলার নির্বাচনী আধিকারিকের। আর এতেই গণনাকেন্দ্রে কারচুপির আশঙ্কা করছেন বামেরা।
অভিযোগ মানতে চাননি এসডিও।
নাম, ছবি হীন এই কার্ড নিয়ে যে কেউ গণনা কেন্দ্রের ভিতরে ঢুকে পড়তে পারে। শাসকদল গণনায় কারচুপি করতে পারে বলে ইতিমধ্যেই আশঙ্কা প্রকাশ করেছে বিরোধীরা। এই ধরনের ঘটনায় সেই আশঙ্কা আরও বাড়ল।