পবন বনসলের দিকে তাকিয়ে বর্ধমান
রেলমন্ত্রী থাকাকালীন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘোষণার পর কেটে গেছে তিন বছর। এখনও সম্পূর্ণ হয়নি বর্ধমান স্টেশনকে মাল্টিফাংশনাল করার কাজ। এর মধ্যেই বদল হয়েছেন রেলমন্ত্রী। কিন্তু তবুও সুরাহা মেলেনি প্রকল্প বাস্তবায়নের। যাত্রীদের আশা, এবার হয়ত সম্পূর্ণ হবে প্রকল্পের কাজ।
রেলমন্ত্রী থাকাকালীন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘোষণার পর কেটে গেছে তিন বছর। এখনও সম্পূর্ণ হয়নি বর্ধমান স্টেশনকে মাল্টিফাংশনাল করার কাজ। এর মধ্যেই বদল হয়েছেন রেলমন্ত্রী। কিন্তু তবুও সুরাহা মেলেনি প্রকল্প বাস্তবায়নের। যাত্রীদের আশা, এবার হয়ত সম্পূর্ণ হবে প্রকল্পের কাজ।
তিন বছর আগে রেলের তরফে তৈরি করা হয়েছিল একটি বড়সড় বিল্ডিং। নাম দেওয়া হয়েছিল মাই ফার্স্ট চয়েস। তত্কালীন রেলমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেন, যাত্রীদের সুবিধার জন্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র পাওয়া যাবে ওই ভবনে। কিন্তু তৈরি হওয়ার পর থেকেই পড়ে রয়েছে সেই ভবন। খোলেনি কোনও দোকান। তবে স্টেশন ম্যানেজার গোপাল চট্টরাজের অবশ্য দাবি, শিগগিরই চালু হবে এই প্রকল্প।
রেল বাজেটের আগে আশায় বুক বেঁধেছেন বর্ধমান স্টেশনের ক্যান্টিনের ২৯ জন কাজ হারানো কর্মী। দীর্ঘদিন ধরে বর্ধমান স্টেশনের ক্যান্টিনে তাঁরা কাজ করলেও ২০১০ সালে আইআরসিটিসি তাঁদের কর্মচ্যুত করে বলে অভিযোগ। গত তিন বছর রেল দফতরের বিভিন্ন বিভাগে আবেদন জানিয়েও লাভ হয়নি। কাজ হারিয়ে চরম আর্থিক অনটনের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন এই শ্রমিকরা। তাঁদের আশা, এবারের বাজেটে রেল প্রতিমন্ত্রী অধীর চৌধুরী তাঁদের জন্য হয়ত কোনও ব্যবস্থা নেবেন।