LOC-তে ভয়াবহ মাইন বিস্ফোরণ, ভারতীয় সেনার দুই জওয়ান গুরুতর আহত
একজন মেজর পদমর্যাদার আধিকারিক বলে জানা যাচ্ছে।
নিজস্ব প্রতিবেদন- জম্মু ও কাশ্মীরের নওশেরা সেক্টরের নিয়ন্ত্রণরেখা লাগোয়া ফরওয়ার্ড পোস্টে টহল দেওয়ার সময় ভয়াবহ মাইন বিস্ফোরণের শিকার হলেন ভারতীয় সেনার দুই জওয়ান। তাঁদের মধ্যে একজন মেজর পদমর্যাদার আধিকারিক বলে জানা যাচ্ছে। উধমপুরের সেনা হাসপাতালে ১৬ গ্রেনেডিয়ার্সের মেজর বরুণ খাজোরিয়া এবং সুবেদার ঈশ্বর সিংয়ের চিকিত্সা চলছে। রাজৌরি জেলার নওশেরা সেক্টরে LOC-র ফরোয়ার্ড লোকেশনে টহল দিচ্ছিলেন তাঁরা। তখনই ল্যান্ডমাইন বিস্ফোরণ ঘটে। এর পর রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার হওয়া দুই জওয়ানকে অ্যাম্বুল্যান্সে সেনা হাসপাতালে পাঠানো হয়।
আরও পড়ুন- সীমান্তে সেনা বাড়াচ্ছে দুই দেশ! সকাল থেকে আলোচনায় ভারত-চিন সেনা কর্তারা
কে বা কারা ওই এলাকায় ল্যান্ডমাইন বিছিয়ে গিয়েছিল তা এখনও স্পষ্ট নয়। জঙ্গি যোগ নাকি পাকিস্তানি সেনার কাজ, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত করবে ভারতীয় সেনা। গত কয়েক মাস ধরে জম্মু-কাশ্মীরে জঙ্গি নিধন যজ্ঞ শুরু করেছে নিরপত্তারক্ষীরা। উপত্যকায় নাশকতা ছড়ানো জঙ্গি সংগঠনগুলির নেতাদের নিকেশ করতে সেনা যেন আদা-জল খেয়ে নেমেছে। এরই মধ্যে লস্কর, হিজবুলসহ একাধিক জঙ্গি সংগঠনের একাধিক নেতাকে খতম করেছে নিরাপত্তারক্ষীরা। সেনা ও কাশ্মীর পুলিসের তরফে দাবি করা হয়েছে, সার্চ অপারেশন চলাকালীন বহু কুখ্যাত জঙ্গিকে খতম করা হয়েছে। গত কয়েক মাসে উপত্যকায় নাশকতার ঘটনাও উল্লেখযোগ্যভাবে কম। আর সেনার এই জঙ্গি নিধন মিশনের জন্য বদলা নিতেই কি ল্যান্ডমাইন বিছিয়েছিল জঙ্গিরা! এদিনও মধ্য কাশ্মীরের নারবাল এলাকায় জেএমবি-র সদস্য এক জঙ্গিকে খতম করেছে সেনা ও পুলিসের যৌথ বাহিনী। তাঁর কাছ থেকে একটি ম্যাগাজিন, একটি চাইনিজ গ্রেনেড, একটি ছুরি, দুটি মোবাইল ফোন, একটি ফেরান (কাশ্মীরী গাউন) উদ্ধার হয়েছে।দিন তিনেক আগে কাওসা বুদগাঁও এলাকায় এনকাউন্টার চলাকালীন পলিয়ে বেঁচেছিল এই জঙ্গি।