দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীকে অস্ত্র ছাড়া "মাওবাদী` তকমা দিলেন অরুণ জেটলি
দশ দিন নয়। দু`দিনেই ধরনা তুলে নিলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। তবে সমালোচনার হাত থেকে রেহাই পেলেন না তিনি। বিজেপি নেতা হর্ষবর্ধন বলেছেন, এর আগে কোনও মুখ্যমন্ত্রী সংসদীয় গণতন্ত্রকে এতবড় অপমান করেননি। সহযোগী দল হয়েও কেজরিওয়ালের সমালোচনা করেছে কংগ্রেস।
দশ দিন নয়। দু`দিনেই ধরনা তুলে নিলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। তবে সমালোচনার হাত থেকে রেহাই পেলেন না তিনি। বিজেপি নেতা হর্ষবর্ধন বলেছেন, এর আগে কোনও মুখ্যমন্ত্রী সংসদীয় গণতন্ত্রকে এতবড় অপমান করেননি। সহযোগী দল হয়েও কেজরিওয়ালের সমালোচনা করেছে কংগ্রেস।
রাজধানীতে অস্থীরতা ফিরিয়ে আনার জন্য কেজরিওয়ালকে "মাওবাদী` বলে কটাক্ষ করেছেন রাজ্যসভার বিরোধী দলনেতা অরুণ জেটলি। তবে এই মাওবাদীর হাতে কোনও অস্ত্র নেই বলে মন্তব্য করেছেন জেটলি।
দিল্লি পুলিসের ভার কেন্দ্রের হাত থেকে দিল্লি সরকারের হাতেই দেওয়া হোক। এমনটাই দাবি ছিল দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের। এই দাবি সহ দিল্লির বুকে ঘটে যাওয়া তিনটি ঘটনায় দোষী পুলিস অফিসারদের শাস্তির দাবিতে ধরনায় বসেন কেজরিওয়াল। দাবি মানা না হলে টানা দশদিন ধরনা চালিয়ে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন। এমনকি, প্রায় লাখ খানেক মানুষকে রাস্তায় জড়ো করার হুমকি দিয়েছিলেন আপ নেতারা। কিন্তু ঘটনা আদৌ সেদিকে গড়াল না। দ্বিতীয় দিন রাতেই ধরনা তুলে নিল আম আদমি পার্টি। কেন পিছু হটলেন আপ নেতারা।
ধরনা কর্মসূচির তীব্র সমালোচনা করেছে বিজেপি। আপের এই কর্মসূচিতে মুখ পুড়েছে কংগ্রেসের। ফলে সোচ্চার প্রতিবাদ জানিয়েছেন কংগ্রেস নেতারাও। পর্যবেক্ষক মহলের মতে আসলে এইসব ইস্যু সামনে রেখে লোকসভা নির্বাচনের আগে কেন্দ্র বিরোধী হাওয়ায় শান দিতে চাইছিলেন কেজরিওয়ালরা। কিন্তু সেই লক্ষ্যে আদৌ কি এগোতে পারলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী ?