কী হবে বালুরঘাটের একরত্তি শিশুর ভবিষ্যত? আদৌ কি জোড়া যাবে আঙুল?
প্রশাসনিক গাফিলতিতে অনিশ্চয়তার মুখে বালুরঘাটের একরত্তি শিশুর ভবিষ্যত। আদৌ আঙুল জোড়া যাবে কি ? উঠছে প্রশ্ন। কলকাতার প্লাস্টিক সার্জেনরা বলছেন, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে শিশুটিকে নিয়ে আসলে সহজেই জোড়া যেত আঙুল।
ওয়েব ডেস্ক: প্রশাসনিক গাফিলতিতে অনিশ্চয়তার মুখে বালুরঘাটের একরত্তি শিশুর ভবিষ্যত। আদৌ আঙুল জোড়া যাবে কি ? উঠছে প্রশ্ন। কলকাতার প্লাস্টিক সার্জেনরা বলছেন, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে শিশুটিকে নিয়ে আসলে সহজেই জোড়া যেত আঙুল।
মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশের পর বোধোদয় হয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের। কলকাতায় নিয়ে আসা হয়েছে বালুরঘাটের শিশুটিকে। কিন্তু, পেরিয়ে গেছে ৪৮ ঘণ্টা। এখন কি আদৌ জোড়া লাগানো যাবে আঙুল? কী বলছেন চিকিত্সকরা?
২৪ ঘণ্টার মধ্যে আনলে জোড়া যেতে পারে বলে জানান ডাক্তাররা। প্লাস্টিক সার্জেনরা বলছেন, দুর্ঘটনায় কোনও অঙ্গ কাটা পড়লে তা জোড়া সম্ভব। শুধু খেয়াল রাখতে হবে, কয়েকটি বিষয়। কাটা যাওয়া অঙ্গ শুকনো পলিথিনে পেঁচিয়ে বরফের মধ্যে রাখতে হবে। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব পৌছতে হবে চিকিত্সকের কাছে, নজর রাখতে হবে আহতের শারীরিক অবস্থার দিকে।
সোমবারই কলকাতার এক বেসরকারি হাসপাতালে এমনই সফল অপারেশন করেছেন চিকিত্সকরা। এমাসের বারো তারিখ বাইকের চেনে আঙুল কেটে গিয়েছিল বছর কুড়ির এক তরুণের। ওইদিনই সন্ধেয় ছেলেকে নিয়ে কলকাতায় পৌছন তাঁর বাবা মা। রাতে অপারেশন করে জুড়ে দেওয়া হয় আঙুল। কীভাবে হয় এই অপারেশন?
প্রথম ধাপ হল লোকাল অ্যানেস্থেশিয়া করতে হবে। তারপর জোড়া হয় টিস্যু ও টেন্ডন। ছয়-সাতদিনের বিশ্রামে রাখতে হবে রোগীকে। তারপর ফিজিওথেরাপির পালা। কয়েকদিনের মধ্যে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারেন রোগী। বালুরঘাটের শিশুও সহজেই ফিরে পেতে পারত আঙুল। কিন্তু,হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের গাফিলতি একরত্তি শিশুটিকে ঠেলে দিয়েছে চরম অনিশ্চয়তার মুখে।