বীরভূমের রাজনগরে তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষের ঘটনায় গ্রেফতার পাঁচ
বীরভূমের রাজনগরে তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষের ঘটনায় গ্রেফতার করা হল পাঁচজনকে। আজও এলাকায় চলছে পুলিসি টহলদারি। গতকাল আদিবাসী সমবায় সমিতির নির্বাচন ঘিরে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে আলিগড় এলাকা। চলে গুলি, বোমা। সংঘর্ষের পর বেশ কয়েকটি বাইকে ভাঙচুর চালিয়ে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। নিহত হন এক তৃণমূল কর্মী। তিরবিদ্ধ হন আরেকজন। এলাকায় মেলে অত্যাধুনিক চ্যানেল বোমা।
ওয়েব ডেস্ক: বীরভূমের রাজনগরে তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষের ঘটনায় গ্রেফতার করা হল পাঁচজনকে। আজও এলাকায় চলছে পুলিসি টহলদারি। গতকাল আদিবাসী সমবায় সমিতির নির্বাচন ঘিরে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে আলিগড় এলাকা। চলে গুলি, বোমা। সংঘর্ষের পর বেশ কয়েকটি বাইকে ভাঙচুর চালিয়ে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। নিহত হন এক তৃণমূল কর্মী। তিরবিদ্ধ হন আরেকজন। এলাকায় মেলে অত্যাধুনিক চ্যানেল বোমা।
এদিকে, রাস্তায় অহেতুক জোরে হর্ন বাজানো হচ্ছিল। প্রতিবাদ করায় রানাঘাট বার অ্যাসোসিয়েশনের সহসভাপতিকে বেধড়ক মারধর করল দুষ্কৃতীরা। রাণাঘাট কোর্ট থেকে ফিরছিলেন বার অ্যাসোসিয়েশনের সহ সভাপতি শুভেন্দু চট্টোপাধ্যায়। বাড়ির কাছাকাছি ভিড় রাস্তায় হর্ন বাজানোর প্রতিবাদ করায় আক্রান্ত হন তিনি। তাঁর অভিযোগ হামলার সময় তাঁর সোনার চেন ও প্রায় ছয় হাজার টাকা খোয়া গেছে। গোটা ঘটনাটি খতিয়ে দেখছে পুলিস। (আরও পড়ুন- উত্তরবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহণের মালদা ডিপোতে পড়ে থেকে মৃত্যু পথ দুর্ঘটনায় আহতের)