Cattle Smuggling Case: অবিলম্বে জামিন দিতে হবে কেষ্টকে, নইলেই মাদক মামলা! হুমকি চিঠি বিচারককে
Anubrata Mondal: কী লেখা সেই চিঠিতে? চিঠিতে লেখা, 'অনুব্রত মণ্ডলকে জামিনে ছাড়তে হবে দ্রুত। নইলে পরিবারকে মাদক মামলায় ফাঁসিয়ে দেওয়া হবে।'
![Cattle Smuggling Case: অবিলম্বে জামিন দিতে হবে কেষ্টকে, নইলেই মাদক মামলা! হুমকি চিঠি বিচারককে Cattle Smuggling Case: অবিলম্বে জামিন দিতে হবে কেষ্টকে, নইলেই মাদক মামলা! হুমকি চিঠি বিচারককে](https://bengali.cdn.zeenews.com/bengali/sites/default/files/2022/08/23/386647-anubrata.jpg)
অর্ণবাংশু নিয়োগী: গোরুপাচার মামলায় অবিলম্বে জামিন দিতে হবে অনুব্রত মণ্ডলকে। জামিন না দিলে মাদক মামলায় ফাঁসানো হবে। মাদক মামলায় ফাঁসানো হবে বিচারক সহ তাঁর পুরো পরিবারকেই। এমনই হুমকি চিঠি পেলেন পশ্চিম বর্ধমান জেলার সিবিআই স্পেশাল কোর্টের বিচারক। ২০ অগস্ট হুমকি চিঠিটি পান বিচারক রাজেশ চক্রবর্তী। বিচারক রাজেশ চক্রবর্তীকে এই হুমকি চিঠি পাঠিয়েছেন এক ব্যক্তি। বিচারককে পাঠানো এই হুমকি চিঠি ঘিরে ইতিমধ্যেই চাঞ্চল্য শুরু হয়েছে। চিঠিটি ইতিমধ্যেই জেলা জজকে পাঠিয়ে দিয়েছেন সিবিআই স্পেশাল কোর্টের বিচারক। ২২ অগস্ট বিষয়টি জেলা জজকে জানান বিচারক রাজেশ চক্রবর্তী। জানানো হয়েছে কলকাতা হাইকোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলকেও। কী লেখা সেই চিঠিতে? চিঠিতে লেখা, 'অনুব্রত মণ্ডলকে জামিনে ছাড়তে হবে দ্রুত। নইলে পরিবারকে মাদক মামলায় ফাঁসিয়ে দেওয়া হবে।'
বর্তমানে সিবিআই হেফাজতে রয়েছেন গোরুপাচার মামলায় ধৃত অনুব্রত মণ্ডল। আগামীকাল বুধবারই অনুব্রত মণ্ডলকে আসানসোলের সিবিআই আদালতে পেশ করার কথা। তার আগেই অনুব্রত মণ্ডলের জামিন দাবি করে বিচারককে হুমকি চিঠি। যদিও সূত্রের খবর, এই হুমকি চিঠিকে খুব একটা আমল দিচ্ছেন না বিচারক রাজেশ চক্রবর্তী। আসানসোলের এক বর্ষীয়ান আইনজীবীর কথায়, বিচারক রাজেশ চক্রবর্তী হুমকির কাছে মাথা নত করার মানুষ নন। প্রসঙ্গত, সিবিআই-এর নজরে এবার অনুব্রত ঘনিষ্ঠ রাজীব ভট্টাচার্য। নজরে তাঁর অ্যাকাউন্টে ৬৬ লাখ টাকার একটি লেনদেন। কে এই রাজীব ভট্টাচার্য? জানা যাচ্ছে, বোলপুরের চালকল ব্যবসায়ী রাজীব ভট্টাচার্য। অনুব্রত মণ্ডলের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত সে।
আরও পড়ুন, Dilip Ghosh In Jago Bangla: দলে টানার ইঙ্গিত? জাগো বাংলায় 'কোণঠাসা' দিলীপের ভোট-লড়াইয়ের প্রশংসা!
সিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, নিউটাউনের একটি ক্যানসার হাসপাতালকে রাজীব ভট্টাচার্যের অ্যাকাউন্ট থেকে এই ৬৬ লাখ টাকা দেওয়া হয়। যে সময় এই টাকা দেওয়া হয়, ঠিক সেই সময়ই ওই হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন অনুব্রত মণ্ডলের ক্যানসার আক্রান্ত স্ত্রী। প্রশ্ন উঠছে, কেন এই রাজীব ভট্টাচার্য ক্যানসার হাসপাতালকে ৬৬ লাখ টাকা দিলেন? তাঁর কোনও আত্মীয় কি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন? নাকি অনুব্রত মণ্ডলের স্ত্রীর চিকিৎসার জন্যই এই ৬৬ লাখ টাকা পাঠানো হয়? যদি তাই হয়ে থাকে, তাহলে সেই টাকার উৎস কী? তদন্তে সবদিকই খতিয়ে দেখছেন সিবিআই আধিকারিকরা। সিবিআই সূত্রে খবর, এই প্রসঙ্গে তাঁকে আবারও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।